মুখে ব্রণ দেখা দিলে অনেকেই ভাবেন, আরও বেশি করে মুখ ধুলেই বুঝি ত্বক পরিষ্কার থাকবে, ব্রণ দূর হবে। অথচ অতিরিক্ত পরিষ্কার করার চেষ্টাই কখনও কখনও ব্রণের সমস্যাকে বাড়িয়ে দিতে পারে।
মুখ ধোয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটি সাধারণ ভুল ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতার ভারসাম্য নষ্ট করে জ্বালা বা অস্বস্তি বাড়াতে পারে। পুজোর আগে তাই এই ভুলগুলি এড়ানো জরুরি।
১. অতিরিক্ত মুখ পরিষ্কার: মুখ তৈলাক্ত মনে হলেই বার বার মুখ ধোয়া শুরু করেন অনেকে। কিন্তু অতিরিক্ত পরিষ্কার করলে ত্বকের স্বাভাবিক তেলও উঠে যেতে পারে। ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে জ্বালা শুরু হতে পারে। সাধারণ ভাবে দিনে দু’বার, সকালে এবং রাতে মুখ পরিষ্কার করলেই যথেষ্ট। খুব বেশি ঘাম হলে মাঝে আর এক বার মুখ ধুতে পারেন। তার বেশি কোনও ভাবেই প্রয়োজন নেই।
২. ঘষে ব্রণ তোলা: ব্রণ মানেই ত্বকে ময়লা জমেছে বলে মনে করেন অনেকে। কিন্তু এই ধারণা সব ক্ষেত্রে সঠিক নয়। তাই ব্রণগুলি জোরে ঘষে পরিষ্কার করা বা বার বার হাত দিয়ে ঘষা উচিত নয়। এতে ত্বকে আরও জ্বালা হতে পারে। ভেজা মুখে মৃদু ক্লিনজ়ার লাগিয়ে আঙুলের ডগা দিয়ে আলতো করে পরিষ্কার করাই ভাল।
৩. উষ্ণ জলে ধোয়া: গরম জলে মুখ ধুলে বেশ আরাম লাগতে পারে। কিন্তু অতিরিক্ত গরম জল ত্বককে শুষ্ক করে দিতে পারে। মুখ পরিষ্কারের জন্য হালকা উষ্ণ জল ব্যবহার করা ভাল। মুখ ধোয়ার পর তোয়ালে দিয়ে না ঘষে, আলতো চাপে জল শুকিয়ে নেওয়া উচিত।
৪. ভুল উপকরণ বাছাই: এখন মুখ পরিষ্কার করার নানা উপকরণে বিভিন্ন ভেষজ উপাদান থাকে। কিন্তু সব উপাদান সব ধরনের ত্বকের জন্য উপযোগী নয়। অ্যালো ভেরা আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে, হলুদ ত্বকের স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য বজায় রাখে, নিম গভীর ভাবে ত্বক পরিষ্কার করে। এই ধরনের উপাদান এ সমস্ত গুণের জন্যই জনপ্রিয়। তাই নিজের ত্বকের প্রয়োজন বুঝে উপকরণ বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। সব উপকরণ আপনার ত্বকের জন্য সঠিক না-ও হতে পারে।
৫. ময়েশ্চারাইজার বাদ দেওয়া: ত্বক তৈলাক্ত হলেই ময়েশ্চারাইজার বাদ দিয়ে দেন অনেকে। কিন্তু মুখ পরিষ্কার করার পর ত্বকের আর্দ্রতা ফিরিয়ে দেওয়া জরুরি। তৈলাক্ত বা ব্রণপ্রবণ ত্বকের জন্য হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে।
মুখ ধোয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটি সাধারণ ভুল ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতার ভারসাম্য নষ্ট করে জ্বালা বা অস্বস্তি বাড়াতে পারে। পুজোর আগে তাই এই ভুলগুলি এড়ানো জরুরি।
১. অতিরিক্ত মুখ পরিষ্কার: মুখ তৈলাক্ত মনে হলেই বার বার মুখ ধোয়া শুরু করেন অনেকে। কিন্তু অতিরিক্ত পরিষ্কার করলে ত্বকের স্বাভাবিক তেলও উঠে যেতে পারে। ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে জ্বালা শুরু হতে পারে। সাধারণ ভাবে দিনে দু’বার, সকালে এবং রাতে মুখ পরিষ্কার করলেই যথেষ্ট। খুব বেশি ঘাম হলে মাঝে আর এক বার মুখ ধুতে পারেন। তার বেশি কোনও ভাবেই প্রয়োজন নেই।
২. ঘষে ব্রণ তোলা: ব্রণ মানেই ত্বকে ময়লা জমেছে বলে মনে করেন অনেকে। কিন্তু এই ধারণা সব ক্ষেত্রে সঠিক নয়। তাই ব্রণগুলি জোরে ঘষে পরিষ্কার করা বা বার বার হাত দিয়ে ঘষা উচিত নয়। এতে ত্বকে আরও জ্বালা হতে পারে। ভেজা মুখে মৃদু ক্লিনজ়ার লাগিয়ে আঙুলের ডগা দিয়ে আলতো করে পরিষ্কার করাই ভাল।
৩. উষ্ণ জলে ধোয়া: গরম জলে মুখ ধুলে বেশ আরাম লাগতে পারে। কিন্তু অতিরিক্ত গরম জল ত্বককে শুষ্ক করে দিতে পারে। মুখ পরিষ্কারের জন্য হালকা উষ্ণ জল ব্যবহার করা ভাল। মুখ ধোয়ার পর তোয়ালে দিয়ে না ঘষে, আলতো চাপে জল শুকিয়ে নেওয়া উচিত।
৪. ভুল উপকরণ বাছাই: এখন মুখ পরিষ্কার করার নানা উপকরণে বিভিন্ন ভেষজ উপাদান থাকে। কিন্তু সব উপাদান সব ধরনের ত্বকের জন্য উপযোগী নয়। অ্যালো ভেরা আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে, হলুদ ত্বকের স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য বজায় রাখে, নিম গভীর ভাবে ত্বক পরিষ্কার করে। এই ধরনের উপাদান এ সমস্ত গুণের জন্যই জনপ্রিয়। তাই নিজের ত্বকের প্রয়োজন বুঝে উপকরণ বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। সব উপকরণ আপনার ত্বকের জন্য সঠিক না-ও হতে পারে।
৫. ময়েশ্চারাইজার বাদ দেওয়া: ত্বক তৈলাক্ত হলেই ময়েশ্চারাইজার বাদ দিয়ে দেন অনেকে। কিন্তু মুখ পরিষ্কার করার পর ত্বকের আর্দ্রতা ফিরিয়ে দেওয়া জরুরি। তৈলাক্ত বা ব্রণপ্রবণ ত্বকের জন্য হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে।
ফারহানা জেরিন